পারমাণবিক জ্বালানীর যুগে বাংলাদেশ

📅 April 28, 2026 👁️ 177 views 📌 News
পারমাণবিক জ্বালানীর যুগে বাংলাদেশ

 

শেখ হাসিনা তো একদিন থাকবেন না, এই পোস্ট যারা দেখছেন তারাও অধিকাংশ থাকবেন না, কিন্তু এই প্রকল্প থেকে যাবে, সেবা দেবে কয়েক প্রজন্মকে।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের আয়ুষ্কাল ৬০-৯০ বছর। সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ করা হলে এটি ৯০ বছর সেবা দেবে। একবার ইউরেনিয়াম লোড করলে এটি দেড় বছর (১৮ মাস) নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে সক্ষম। এক কেজি ইউরেনিয়াম থেকে যে পরিমাণ শক্তি পাওয়া যায়, তা পেতে প্রায় ১০০ টন কয়লা বা ৬০ টন জ্বালানি তেলের প্রয়োজন হয়।
ফলে ২৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনে বছরে সাশ্রয় হবে প্রায় ১.৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা টাকায় দাঁড়ায় ১৭,২৮৩ কোটি টাকা। মানে যেই টাকা সাশ্রয় হবে তা দিয়ে প্রতি ২ বছরে একটি পদ্মা সেতু আপনি বানাতে পারবেন।
এই টাকা দিয়ে আপনি দেশের অনেক সমস্যা মোকাবিলা করতে পারবেন—যদি আপনার সেই ভিশন থাকে, সাথে কোমরে জোর।
এই কেন্দ্র ইউরেনিয়াম ব্যবহারের ফলে যে পরিমাণ তেল, গ্যাস ও কয়লা সাশ্রয় হবে, তা দিয়ে আপনি কলকারখানা ও কৃষিতে নিরবিচ্ছিন্ন সংযোগ দিতে পারবেন—ফলে উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। বাসা-বাড়িতে রান্নার কাজে দুর্ভোগ কমবে। সেই সাথে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ উৎপাদনের ফলে বিদ্যুতের দামও স্থিতিশীল থাকবে।
এটি একটি 'গ্রিন এনার্জি' সোর্স, কারণ এখান থেকে কোনো কার্বন ডাই-অক্সাইড, সালফার বা নাইট্রোজেন অক্সাইড নির্গত হয় না—ফলে এটি জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় সহায়ক। জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমলে বায়ু দূষণ হ্রাস পায়, যা জনস্বাস্থ্যের ওপর পজিটিভ প্রভাব রাখে।
 
জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ক্ষতির কারণে বাংলাদেশে বছরে প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হয়। এই প্রকল্প সেই ক্ষতি কিছুটা কমিয়ে আনবে।
আর একটা বড় প্রকল্প সুন্দরভাবে শুরু করতে পারলে এটার সাথে সম্পর্কিত অনেক ছোট প্রকল্পের দুয়ারও খুলে যায়—যা দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে অন্যতম ভূমিকা রাখে। কেন্দ্রটি পুরোদমে চালু হলে দেশের জিডিপিতে সরাসরি প্রায় ২ শতাংশ অবদান রাখবে।
প্রাকৃতিক দূর্যোগ বা কারিগরি ত্রুটির ঝুঁকি বিশ্বের সব বড় প্রকল্পেই থাকে; তাই সেটি মূখ্য বিষয় নয়। তবে উন্নত বিশ্বে এই ধরনের প্রকল্পে যেই নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকে, এখানেও তেমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। রাশিয়ার তৈরি আধুনিক জেনারেশন-৩+ (VVER-1200) রিঅ্যাক্টর ব্যবহার করা হয়েছে। রিঅ্যাক্টরের চারপাশে পাঁচ স্তরের সুরক্ষা দেয়াল এবং 'কোর ক্যাচার'।
"মানুষ বাচেঁ তাঁর কর্মে। Remember The Name"

 

-ডাবলিন আওয়ামী লীগ

 

 

← Back to News